Showing posts with label My diary. Show all posts
Showing posts with label My diary. Show all posts
ফাঁকা দোলনা টা, ভিজে যায় বৃষ্টি তে,
ভিজে যায় আমার ছেলেবেলার ইতিহাস,
পুরোনো স্কুলবাড়ির হাতছানি, ধুলোমাখা,
খুঁজে ফেরে একমুঠো অবকাশ।

ভিজি আমিও একলা একলা রোজ,
একটা অন্য কিছু খুঁজে পাওয়ার খোঁজ।
ভেজে শুধুই আমার শূন্যতা।
তবু আকড়ে থাকি ফিরে পাওয়ার রূপকথা।

From Onyosomoy.
বাহিরে বহিছে সুখ, আর অন্তরে বহিছে শুধুই নিশ্বাস,
ভালো থাকার একমাত্র পথ 'বেচে থাকা' ই আজ আমার বিশ্বাস!
বেলা শেষে তাই ফিরে যাওয়া আমার অবুঝ গভীরে,
অন্ধকারে ফেলে আসা সেই সব মাটি আর সবুজের ভিড়ে...

From Onyosomoy.

হ্যা, বেসরকারীই বটে! মানুষই মরে  যখন ভুত হয়, তখন ভুতের পরিচয়ই বা আর পালটায় কেন! মানুষ যখন হিন্দু মুসলিম, ধনী গরিব ব্যতিরেকে শুধু বেসরকারি চাকুরিজীবি বলেই পরিচিত হয়ে থাকে, তখন ভুতের ক্ষেত্রেও সেই সূত্রই খাটে বৈকি!

এহেন কলিকাতা তে বেসরকারি চাকুরিজীবি মনে ক্ষমতা পরিসীমিত, যার বাইরে ভাবনারও কোনো আভাস পাওয়া যায় না! কাজ করা তো দূরের কথা!

যখন ভুতের কথাই হচ্ছে, কিছু বেসরকারি ভুতের কথাই বলা যাক। কলিকাতা এবং বহির্বিশ্বের বহু লোকের অভিমত, wipro অফিসে নাকি ভুত আছে। বহুজন নাকি তাদের দেখেওছে! যদিও যারা দেখেছে, তাদের কারা দেখেছে, তা আমার জানা নেই।


সে কথা কতখানি সত্যি, কত টা মিথ্যে, সে প্রশ্নে না যাওয়াই ভালো, তবে কথাখানা রোমাঞ্চকর তো বটেই!
গত আড়াই বছর সেই ভুতুড়ে অফিসেই কাজ করছি আমি! যদিও তেমন কোনো ভুতুড়ে লোকের হদিশ পাইনি! বলাই বাহুল্য, ভুত বাবাজি থেকে থাকলেও দর্শন দিতে নারাজ!
বেশ কিছু ঘটনা যা শুনেছি, যেমন, wash রুম এ নাকি মাঝে মধ্যে কোনো সাদা কাপড় পরে কাউকে দেখা যায়। আবার নাকি সে নিমেষেই মিলিয়ে যায়। লিফ্ট টাও মাঝ রাতে কখনো কখনো থেমে যায়, দরজা আপনা থেকেই খুলে যায়, যেন কেউ লিফ্ট ব্যবহার করছে!
সাম্প্রতিককালে আমি সেই বিল্ডিং গুলোরই একটাতে কাজ করছি। যথারীতি আমি আর আমার সাথে যারা রয়েছে, সর্বদাই খুঁজে চলেছি তাদের!

মাঝে কয়েকদিন কাজ শেষ করতে বেশ দেরি হতো। তখন রাত পর্যন্ত কাটাতে হতো। সে সময়ে আমিও বেশ কিছু ঘটনা দেখেছি, যার কোনো বাস্তবিক ব্যাখ্যা আমি পাইনি।

খালি ঘরে আমি যখন কাজ করছি, ঘরে আর কেউ নেই। হঠাৎ ই শোনা যেত কীবোর্ড এর শব্দ। বুঝি কেউ কম্পিউটার এ কাজ করছে। প্রথম দিন টা অতটা খেয়াল করিনি। দ্বিতীয় দিন ও একই ঘটনা। ভাবলাম বুঝি সিপিইউ এর ভিতরে কিছু আওয়াজ হচ্ছে। উঠে দেখতে গেলাম। কিন্তু ঘরের পিছনের দিকে গিয়ে যখন দাঁড়ালাম, আওয়াজ টা বন্ধ হয়ে গেল। রোজই এই একই ঘটনা ঘটতো। আমি যেই পিছনে তাকাতাম আওয়াজ বন্ধ হয়ে যেত। সিপিইউ এর ফ্যান এর আওয়াজ আমি চিনি। কিন্তু এ কীবোর্ড এর আওয়াজ এর কোনো উৎস খুঁজে পেতাম না।

মাঝে মাঝে দরজাতে টোকা দেওয়ার শব্দ হতো! বাইরে বেরিয়ে কাউকে দেখতে পেতাম না। আর এরকম টা ঠিক তখনই হতো যখন আমি একা থাকতাম।

সেদিন কয়েকজন বললো ব্যালকনিতে যাওয়ার গেট টা নাকি আপনা দিয়েই খুলে আবার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। একজন নয়, চার পাঁচ জন একই ঘটনা দেখেছে, এবং সেখানে কেউ ছিল না! না কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল, না হাওয়ায় খুলে যাওয়ার কোনো সুযোগ!!

এত কিছু বুঝি, তবু তাদের দেখতে পেলাম না আজ অব্দি। সে ইচ্ছে আমার অপূর্ণই রয়ে গেছে। হবেও না বোধ হয়।

সে যাই হোক, বোধ হয় তারা দেখা দেন না, তারা বেসরকারি চাকুরিজীবি ছিলেন বলেই। ক্ষমতার সীমা পার করতে তারা কেউই আশাবাদী নন। সেই ভোর থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করার পর যখন আমার নিজের বাড়ি তে শুধু শুতে যাই, আবার কালকের কথা ভাবতে ভাবতে না জানি কালও এসে পড়ে! ভাবতে ভাবতেই শেষ হয়ে যায় দিন , সপ্তাহ, মাস, বছর। রয়ে যায় শুধু সংজ্ঞা টা। চাকুরিজীবি!

সেই ভুতদের বেলাতেও বোধ হয় তাই! হয়তো এই অফিসে, নতুবা অন্য কোনো অফিসে, হয়তো অফিসেই নয়, অন্য কারো বাড়িতে, কারও কারখানায়, কারও সেরেস্তায়, কারও জমিতে, এভাবেই কেটেছে দিন! রাতও! আর এমনিভাবে নিজের ও পরিবারের জন্য শহীদ হয়েছেন। সেই তাদের ক্ষমতা সীমিতই হবে, তা তো জানা কথা! তাই তাদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ আমি দেখিনা!

আমি নির্বিঘ্নেই তাদের সাথে দিন ও রাত কাটাই। জানি তারাও আমার মতই। অনেক কিছু ভাবে। কিন্তু করার সময়, ওই! "বেসরকারি চাকুরিজীবি"!!

From Onyosomoy.
28-2-12

বেশ কিছু দিন পর আবার আজ একমুঠো সময় পেলাম, লিখতে বসার জন্য। যদি আজ বিশেষ কিছুই লেখার নেই, সারাদিনের তোলপাড়, আখ্যান টা এই কদিন'এ একটু বেশীই প্রয়োগ হয়েছে বইকি! তাই ভাবনার চিন্তা করার সুযোগ পাইনি।আমার শুধু চিন্তা হচ্ছে পরীক্ষা নিয়ে। জানিনা পাস করব কিনা, জীবনে এরকম দুর্বিষহ অবস্থা আগে কখন হয়নি, শুধু আশা আর গরব নিয়ে যে জীবন চলে না, টা আজ তের পাচ্ছি! তবে শোধরাতে আর সময় পাচ্ছি কই!

আজ বিজ্ঞান দিবস। জানিনা, কটুকু আমি দিয়েছি বিজ্ঞানের জন্যে কিন্তু আমার জীবনে বিজ্ঞানের প্রভাব পুরোটাই, নিজেকে আজ বিজ্ঞানসম্মত বলতেও কোনো দ্বিধা বোধ করব না! শুধু ভাবি, বিজ্ঞানের সব সূত্র যদি মেনে চলতাম, আজ যা যা পেয়েছি, তাদের নিয়ে এত আফসোস হত না!


22-2-12
আজকের গল্পটা আবার নতুন করে শুরু করা যাক। এনিয়ে বহু গল্প আমার শুরু হয়েছে, কিন্তু শেষ করার ইচ্ছে বা সময় কোনটাই থাকেনি শেষ পর্যন্ত। হয়তো এ ডায়রির অবস্থাও তাই হবে, কে বলতে পারে? অনেকদিনের জমে থাকা আবেগগুলোই বোধহয় নতুন গল্প তৈরি করে, না হলে হঠাৎ জীবনে শব্দগুলো এত গুরুত্বপূর্ণ কেন হয়ে উঠত? স্কুলের শেষ দিনটা কাটাবার প্লান ছিল অন্যরকম, কেটেছিল অন্যরকম। হয়তো শেষ দিনের শেষ প্ল্যানটার কথা সেদিন কারোরই মনে ছিলনা।

মনে থাকার কথাও নয়, পরের দিনের Schedule টা তৈরি যে!! আজ বহু কটা দিন কাটিয়ে এসেছি college Life এ। এখন আর স্কুলের কথা মনে পড়ার কথাও নয়। শুধু যা পাস দিয়ে যাওয়া আর আসার সময় একনজরে স্বাধীনতাকে খুঁজে পাওয়া। তবু সেদিনগুলো আর ফিরে পাব কি? ঘুম ভাঙ্গা অচেনা ভোরে যখন আমার স্বপ্নেরা আমায় জাগিয়ে তলে, শহুরে হাওয়ার ঢেউ আসে আমার চারপাশে  কিম্বা আমার শহর এর আলো ঝলসানো রাতগুলো যখন আমার দিন গুনে যাওয়া জীবনে বয়ে যায়, বড্ড বেশি অবাক লাগে নিজের কথা ভাবলে। কোনো একদিনের সেই ফেলে আসা ছোট্ট ছেলেটা আর আজকের আমির মধ্যে হঠাৎ যেন একটা বড়ো তফাৎ  সৃষ্টি হয়ে গাছে। হঠাৎ যেন চারদিকের সবকিছুই আলাদা।

আমার চেনা শহরটা একই রয়ে গেছে, শুধু দিনগুলো বদলে গেছে। ভোরের alarm tone এ পাখিদের আনাগোনা, কিম্বা রাতে মোবাইলের ঘুমপাড়ানি গান, আমার জীবনে নতুন আলো এনেছে-চোখ ধাঁধানো দিন গুনে যাওয়ার আলো! সেই আলো তাই আজ শহরটাকেও বড়ো অচেনা লাগে। সেই ছেলেটা যে শহরটাকে চিনত না, চিনত না অলিগলিগুলোকেও, তবু এ শহরের আড্ডা-তর্ক, গল্পে-আনন্দে, দুঃখ-সুখে সবই ছিল তার অস্থিমজ্জায়, আজ সে অন্য শহর চিনেছে নিজের শহর ভুলে। আমার শহরের আলো ঝলসানো রাতগুলো আমার কাছে একবারে আনকোরা। যে শহরে রাত্রি আমার ঘুম হয়ে আসত, আজ সেই রাতগুলোতে জীবনের নেশায় মাতাল হয়ে যাওয়া উন্মাদদের ভিড়। জীবনের লয়গুলো আজ ছন্নছাড়া। তাই হয়ত কবিতার পাতাতেও আর মন বসতে চায়না।
18-2-12
আজও ভোরের রোদ্দুর আমার চোখের পাতায় তার স্নিগ্ধতা রাখে গেছে। আজ আমি স্বাধীনের দলে নাম লিখিয়েছি। সমস্ত ব্যর্থতা হয়ত ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। তবে সমস্ত স্বপ্ন আবার নতুন করে দেখা তো সম্ভব! আমি চাইনা আর ফিরে যেতে সেই দিনগুলোতে, যার ইতিহাস কোনদিন আমার সঙ্গী হয়নি;একলা দোসর, বরং হাজার সভ্য-মাঝে আমায় একলা করে দিয়েছে বারংবার। তাই আমি আজ পলাতকের দলে। জীবনটাকে আজ শূন্য থেকে বড় করতে ইচ্ছে করছে। আমায় কুড়ে খাওয়া নিঠুর স্বপ্ন-গুলো আপাতত চোরা-সিন্দুকেই বন্ধ থাক।
মিঠে রোদ্দুর ফুতে ওঠা স্নিগ্ধতা গায়ে মেখে আজ আমার দিনের শুরু। শেষটা যে ভাল হবেই তার কোনও আশা না করাই ভাল। তবু যখন বৃষ্টি তার ধুলোর উড়ান দিয়ে জানিয়ে গেছে, আজকের সকাল একটু অন্য রকম হবে বৈকি! সারাদিনের ব্যস্ততা আমার প্রতিদিন গুলো কেমন যেন কেড়ে নিয়েছিল, আমার কাছ থেকে। প্রতিদিন শুধুই ঘুমতাম, তবু ঘুম আর হত কই! জানিনা কেন আজ এই অন্য রকম, তবু এ সুখ অসহ্য হবে না!
16-2-12
আজ অনেকদিন পর আমি আবার শৈশবের আঙ্গিনায় ফিরে যাওয়ার সুখ খুঁজে পেয়েছি, আজ এই ভোরের বৃষ্টি মাখা গন্ধে সত্যিই সেই ছোটবেলার কথাই মনে পড়ছে। তবে কোন দুঃখ নয়, কোন যন্ত্রণা নয়, সেই সাধারণ, সহজ সরল শৈশব যেন আবার ফিরে পেয়েছি আমি। আজ এ এক অন্য আমি, আমারই মধ্যে করছে পাগলামি। আজকের আকাশ বর্ষাকালের আকাশের চেয়ে অনেকটা আলাদা। ঠিক যেমন কৈশোরের যন্ত্রণার সাথে শৈশবের আঙ্গিনার সুখের সম্পর্ক! আজ বড্ড বেশী ভিজতে ইচ্ছে করছে, ইচ্ছে করছে সমস্ত দুঃখ, ক্ষোভ, হতাশা ধুয়ে ফেলে এক নতুন জীবন খুঁজে পেতে, ইচ্ছে করছিল সেই সমস্ত সুখ ক্যামেরা-বন্দি করতে, যা কাল বৃষ্টি আমায় দিয়েছে, কিন্তু ভিজে রাস্তার জল থই থই আর আমার হঠাৎ খুঁজে পাওয়া অক্লান্ত স্বাধীনতাকে স্মৃতিতে বন্দি করা সম্ভব নয়। সে যে স্বাধীন। তার স্বাধীনতাই যে আমার সুখের খোরাক।
15-2-12
হতাশহীন এই শূন্য বুকে আজ কোন ক্ষোভ বা আক্ষেপের সুর নেই বটে, তবু ছোট্ট বেলাটাকে আজ অন্যভাবে মিস করছি। এত জীবনের জটিলতা বোধ হয় তখন ছিলনা, না ছিল কামনার উদ্বেগ, না সম্মান রক্ষার প্রেম! ভালবাসতাম, তো শুধু ভালোইবাসতাম! কোনো কিছু পাল্টা প্রশ্ন না করেই। আমি আজ সেই ভালবাসাই দেখতে চাই, যেখানে মন প্রাধান্য পাবে, শরীর নয়। যদিও জানি, এ যুক্তিহীন কথাবার্তা শুধু আমার মত পাগলই বলতে পারে। আজ শুধু একটা কথাই বলবার রয়েছে। আমি মনকে ভালবাসি। এই ১৯ বছর ধরে সে আমায় সঙ্গ দিয়েছে, এমনকি ঘুমে অচেতন স্বপ্নে-দুস্বপ্নেও সে তার স্মৃতির ভাণ্ডার উজাড় করে দিয়েছে আমাকে। মন, সত্যিই সে বড় অবুঝ, বড় হলেও সে যে বড় হয়েছে, তা কিছুতেই মানতে চাইবে না, কিন্তু গোধূলি যে এলো বলে...
14-2-12

আজ তো ১৪ ই ফেব্রুয়ারি! হিসাবমতে Valentine's Day! যবে থেকে এই দিনের সম্পর্কে জেনেছি, এদিন আমার জীবনে খুব একটা ভালো যায়নি, আর আজও যাচ্ছে না!
    Valentine's Day তে সকলকেই একটা কথা বলা উচিত, একদিনের আড়ম্বর জীবনকে হঠাৎ করে স্বাধীন তো করতে পারে, কিন্তু সেই আড়ম্বর যেন দৈনন্দিনতায় পালতে না যায়। আমি বলছিনা রোজ হাজারবার "I Love You" বলাটা ভালোবাসা। ভালোবাসা কি তা যদি তোমরা বুঝে থাক, At least তাদের ভাল রেখ।
13-2-12
আজ অনেকদিন পর আবার ডায়েরি-র ছোঁয়ায়। গত একটা মাস আমি ভোরের স্বপ্ন মিস করেছি। জীবনটাকে ফাকি দিয়ে depression কে বোকা বানানোর চেষ্টা করেছি। তবু সে তো এত বোকা নয়। পরিস্থিতি আজ আমাকেই অসহায় করে দিয়েছে। আজ আমার ভালোবাসা আমায় কোন যন্ত্রণা দেয়না। আমি জানি সে ভাল আছে, আর তাই আমিও ভাল আছি। কিন্তু বর্তমান রেহাই দিচ্ছে কোথায়? সর্বদাই সে আমার কাছে পিছুটান রেখে গেছে, কালও, আজও। দৈনন্দিন জীবনযাপনই আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা হয়ে উঠছে। জানি এর সমাধান হবে না, তাই একভাবে একে এর উপরেই ছেড়ে দিয়েছি। আমি তো নেহাতই ছেলেমানুষ, জীবনের কাছে, কিন্তু জীবন তো At least আমাকে বুঝবে।
5-1-12
স্নিগ্ধতার রোদ্দুর পেরিয়ে আজ ভোরের বৃষ্টি যখন আমার জানলা ঝাপসা করেছে, আমি তখন অমোঘ ঘুমের আধারে, So, পূর্ণতার পরশ পাওয়া হয়নি। এমনি ভাবেই হয়তো কত ভোর কেটে গিয়েছে আমার এই প্রাপ্তবয়স্ক জীবনটাতে, হয়ত ব্যস্ত ছিলাম ভোরের স্বপ্ন দেখতে, তাই সে স্বপ্ন সত্যি আর করা হয়ে ওঠেনি। তবে স্কুল আর কলেজের এই দ্যোতনায় আজ স্কুলটাকেই বেশি মিস করছি। জানি, সেখানে স্বাধীনতাহীন, তবু সুখের চাবিকাঠি হারিয়ে যাওয়ার ভয় তো ছিল না! অন্তত কোনদিন স্বাধীনতার অপব্যবহার করার সাহস জাগেনি আজ যা শুধুই ছেলেখেলা বলে মনে হয়। নিয়মের বেড়াজাল ছিড়ে আজ এখানে সব পেয়েও কিছু না পাওয়ার feelings আমায় যেন কুরে কুরে খায় রোজ। তবু হাজার হোক, আমায় বড় যে হতেই হবে। কারণ আমার অতীত আমার বর্তমানকে পিছু করছে। একে যে ভবিষ্যতে পা রাখতেই হবে। So, have a great day!
আজ আঠেরোর গণ্ডী পেরিয়ে ছোটবেলার বেশ কিছু দিনের কথা বেশী করে মনে পড়ছে। সেদিনকার কান্না ভেজা প্রথম "পারবনা", থেকে আজ সেই পারবনার গণ্ডি পেরিয়ে অনেক পারবনাই পার করে এসেছি। তবু ছোটবেলার সেই দিন গুলো, যেদিন আমি স্কুলের গেটে ঢুকে পড়ার ক্লাস খুঁজিনি, খুঁজেছিলাম ছোট্ট খেলার মাঠটা, আর আমার আজকের ফেলে আসা সেই ছোট্ট ছোট্ট বন্ধুদের। গেটে ঢোকবার সময় বাবার কোল থেকে নামতে চাইতাম না। হয়তো সেটাই ছিল আসল হারিয়ে যাওয়ার কষ্ট। এখন তো বাবা মায়ের সাথে তর্ক করাটাও যেন নাটক বলে মনে হয়। সত্যি বলতে কি আজ আমার ঘরের চাবি, সে চাবি পরের হাতে।
নতুন বছরে আর একটা প্রশ্ন আমার মাথায় এসেছে, এর উত্তর হয়তো সঠিক ভাবে আমার জানা নেই।, কেন আজকালকার আমরা বড্ড বেশী করে কবিতা বিমুখ হয়ে পড়ছি? উত্তর একটাই! সময়-হীনতার অনির্দিষ্ট ছন্দে কবিতা তার ছন্দ হারিয়ে ফেলেছে। ক্ষোভ আর অভিমানের পাহাড় জমে জমে তা আজ সম্পর্ক গুলোকেই ঢেকে রেখেছে অতল গহ্বরে। তাই কবিতাও বোধ হয় ক্ষোভের প্রতিধ্বনিত হয়ে গদ্য-রূপ নিছে। আর গদ্য কবিতা হচ্ছে আমাদের সহ্যের বহিঃপ্রকাশ মাত্র!
ভাল থাকার কথা যখন উঠলই, ভালবাসার কথাও উঠবে জানি। গত বছরের হাজার স্মৃতি আর জীবনের টানাপড়েনে ভালবাসা শব্দটাই যেন হারিয়ে গেছে আমার জীবন থেকে। ব্যস্ততার সোপান সামলাতে সামলাতে দৈনন্দিন জীবনটা রুটিনে পরিণত হয়েছে। তবু ভালবাসার শব্দহীন উত্তেজনা, হা-হুতাশ, রঙ-বেরঙ প্রতিধ্বনি, আমি খুঁজে পেয়েছি ভালবাসার নতুন সূত্র!ভালবাসা কি? প্রশ্ন তা ফেসবুক এ লিখলে জানি না কি কমেন্টস আসত, তবে Practical Life এ আমার অভিমত ভাল রাখা আর ভাল থাকাই হল ভালবাসা। ভালবাসাকে সকলেই ভেবে বসে সম্পর্ক, সংসার, বিবাহ, ইত্যাদি পর্যায়ে। ভালবাসা শুধু একটা Emotion, যা অন্য মানুষকে ভাল রাখে। আর তার ভাল থাকাতেই আমদের ভাল থাকা। তবে সেই প্রতিক্ষেত্রে অন্য শব্দগুলো এপথে শব্দযাতনা হয়ে দাড়ায়?
    Please, যদি তুমি কাউকে ভালবাসো, আর সে অন্য কাউকে, তবে রাগ কোরোনা, ভালোবাসার কোন নিয়ম নেই-যে তা একজনকেই বাসতে হবে। আমরা হাজারজনকে ভালোবাসতে পারি, বা কেউ একজন Special কাউকে। ভালোবাসা কোনও Deal নয় বিবাহের মত যে তার রুটিন change করা যাবেনা!!আমি জানি আমার এ প্রশ্নের উত্তর কারোরই উত্তরের সাথে মিলবেনা। শুধু বলতে পারি, যদি ভালোবাসা তাই হয়, তবে এ জীবনে ক্ষোভ থাকবে না, না হলে ভালোবাসাও তা সহ্য করতে পারবেনা।
    Special দের জন্যে কিছু Special বলে রাখি। Please তোমাদের Special দের কোনও কষ্ট দিওনা। ভালোবাসা মানে স্বাধীনতার সুখ। Please সে অধিকারে নিজের হস্তক্ষেপ করনা। তার ভাল রাখার দায়িত্ব তুমি নিতে পার, তবে তার স্বাধীনতায় বাধা দেবার কোনও অধিকার তোমার নেই। Atleast কোনও সময় তো মনে কর, সে তোমার না হলেও তুমি তার!
    সবার দুঃখ কমানোর জন্য, জানি কারোরই হয়তো পছন্দ হবে না একথা, তবু বলা-ভালোবাসা কখনও মানুষকে কষ্ট দেয়নি, যা দিয়েছে, তা হল রাগ, ক্ষোভ, অভিমান, আর সর্বোপরি অবিশ্বাস। ভালোবাসা তো এদেরই মত একটা সাধারণ Emotion মাত্র!
1-1-12
আজ বছরের নতুন দিন। এই বছরটা বোধ হয় সত্যিই special। জীবনে first time বড় হওয়ার সুখ। কিছু তো এবছর আলাদা করবই। So, এবছর নতুন কি হবে? আজ কেন জানিনা, last বছর গুলোর সব কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, ৩১শে এর feast আর সেদিন গুলোর মধ্যে হয়তো কোন তফাত নেই, শুধু সেই মানুষটাই missing, যে থাকলে নিজেকে কোনদিন একলা মনে করতাম না। জানিনা, আজ সেই দিনগুলো যদি ফিরেও পাই, সে আনন্দ আর আমেজ থাকেবে কিনা, আজ শৈশব আর কৈশোরকে তাদের মধ্যেই দেখতে ইচ্ছে করে, যারা আজ ওই দিনগুলো নিয়েই বেচে আছে। অতীতকে বর্তমান করে Naustalgia এ বেচে থাকতে চাইনা। স্মৃতির ভেলায় ভর করে অতীতে আজ ঘুরতে তো যেতেই পারি, তবু সে স্মৃতির পাহাড়ে থেকে যাওয়া-আমি কোনোমতেই পারবনা। তবু মন হয়তো মানতে চাইবে না। এই স্মৃতির শহুরে হাওয়ায় যখন পা দিয়েছি, তখন এ পথেই আমিই রয়ে যাব এখন। So, ফিরছি একটু দেরিতে সবাই। ভাল থেকো।
Facebook এর দেওয়াল লিখনে আমরা আমাদের সুখ দুঃখ বড্ড বেশি করে ভাগ করে নিতে শিখেছি। শিখেছি, নকল দুঃখ তৈরি করে তাতে comments কোড়াতেও! কিন্তু জীবন কি শুধু কথার মাধ্যমেই বড় হয়? বোধহয় হয়না!! হলে আমাদের বয়েস আজ অনেক বেশি হত experiences এর দিক দিয়ে। জীবন আর যাই হোক, শুধু কথার বেড়াজাল তো নয়ই।
আমার ডায়রি লেখা কোনদিন হয়নি। যখন শুরু করব ভেবেছি অবসর শব্দটার অভাব আরও বেশি করে জাঁকিয়ে বসেছে আমায়। অবশেষে যদিও বা লিখে ফেললাম, তবু তাকে গতিময় আজও করা হয়ে ওঠেনি। তবু চেষ্টা রইল, এই ব্লগ আপডেট এর সূত্র ধরে যদি আমি আমার চিন্তাদের পূর্ণতা দিতে পারি, আমার রোজনামচার সোপান  যদি অতিক্রম করতে পারি!!