Showing posts with label My views. Show all posts
Showing posts with label My views. Show all posts
ফাঁকা দোলনা টা, ভিজে যায় বৃষ্টি তে,
ভিজে যায় আমার ছেলেবেলার ইতিহাস,
পুরোনো স্কুলবাড়ির হাতছানি, ধুলোমাখা,
খুঁজে ফেরে একমুঠো অবকাশ।

ভিজি আমিও একলা একলা রোজ,
একটা অন্য কিছু খুঁজে পাওয়ার খোঁজ।
ভেজে শুধুই আমার শূন্যতা।
তবু আকড়ে থাকি ফিরে পাওয়ার রূপকথা।

From Onyosomoy.
বাহিরে বহিছে সুখ, আর অন্তরে বহিছে শুধুই নিশ্বাস,
ভালো থাকার একমাত্র পথ 'বেচে থাকা' ই আজ আমার বিশ্বাস!
বেলা শেষে তাই ফিরে যাওয়া আমার অবুঝ গভীরে,
অন্ধকারে ফেলে আসা সেই সব মাটি আর সবুজের ভিড়ে...

From Onyosomoy.

মা, জন্মভূমির প্রথম আলোর অনুভূতির মাঝে এক স্নিগ্ধ কণ্ঠস্বর চিনিয়েছে আমায় প্রথম কান্নার সুখ। সময়ের যন্ত্রণা পেরিয়ে যার কোঠরে, আমার বেড়ে ওঠা, বেড়ে চলা আর এ সমস্ত কিছুকে পাওয়ার আবেদন, তিনি আমার মা। মা শব্দের আক্ষরিক অর্থ আমি জানিনা, হয়তো কেউই জানে না। আর কোনও শব্দ মায়ের ব্যাখ্যাও চায়না। আমার ছোটবেলার কোন স্মৃতি আমার মনে নেই। তাই সেরকম কিছু বলতে পারবনা আমার মায়ের সম্বন্ধে। শুধু তখন মাঝে মাঝে মায়ের কাছে বকুনি খাওয়ার পরে মায়ের উপর রাগ হত! ইচ্ছে হত পালিয়ে যাই, যেখানে কেউ থাকবেনা, শুধু আমি একা। তবে আজ সে বাল্যতা আমার সাজে না। বুঝেছি, মানুষের সাথে না থাকার কষ্ট! মায়ের সাথে দুদিন আলাদা থাকার কষ্ট! 

             মায়ের চাহিদা সবার জন্যে আলাদা, সবার কাছেই তিনি তার মা। তবে সে তো মা! সন্তানের ভাল-মন্দ ছেড়ে শুধু ভালোই ভাবেন! মা কখনও মন্দ চাইবেন-এরকম হতে পারে না।
       বর্তমান ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ে আমার অভিজ্ঞতা তেমন একটা ভালো নয়। যদিও তার পুরো দোষ আমি ট্রাফিকদের দেব না। পাবলিক নামের রোগটা বাদ দিলে (এ নিয়ে পরে আলোচনা করছি!) ভারতবর্ষে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে যে পরিমাণ গাড়ির সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে , তাতে ট্রাফিক ব্যবস্থা সামলানোটাই সবচেয়ে বড় দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বড় বড় স্টেশনগুলো দিনের বেলা প্রায় মেলার আকার ধারণ করে! আর সেই সুযোগে ড্রাইভার এর হাত থেকে কিছু একটা ট্রাফিকের হাতে যাওয়া খুব একটা অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়। রাতের বেলা পরিবহনের লরিগুলির সময়, আর সকালে যখন কলেজ যাই, সে ঘটনা দেখা রোজকার অভ্যাস হয়ে গিয়েছে এখন। 
এতসব কিছু বাদ দিলে ট্রাফিক ব্যবস্থার উপর আমার ভরসা আছে। তবে মানুষ কতটা সচেতন এ ব্যাপারে?
কিছুদিন আগে বাসে করে যাচ্ছিলাম, হাওড়া ব্রিজে আমাদের বাস আটকান হল, এবং ফাইনও করা হল! কারণ???? - গেটে এক ভদ্রলোক ঝুলছিলেন (কন্ডাকটর নয়!)। ভদ্রলোক কিনা জানিনা, তবে তার জন্যে আমাদের বেশ খানিক টা দেরি হয়ে গেল! এটা আমি সমর্থন করি, কিন্তু তার জন্যে দেরী হওয়াটা মোটেই নয়। গাড়ির নাম্বারটা লিখে কেসটা পরে দিলেও চলত! তার জন্যে এতটা সময় নষ্ট করার মতো কিছু ছিল না।
তবে গেটে ঝুলে রাস্তার লোকগুলো না দেখতে দেখতে গেলেও এমন কিছু ক্ষতি হতনা। তবু সেই মানুষগুলোকে বোঝাবে কে?? তারা এতটাই আনন্দিত হন বাইরের মানুষ দেখে, হয়তো রাতেও জানলার ধারে শুয়ে থাকেন-যাতে রাস্তা দেখতে পান। এতে যারা বাস থেকে নামবেন, কিম্বা উঠবেন, তাদের যে অসুবিধা হয়, তা তারা বুঝবেন না। এবং তাদের জন্যেই অনেকে উঠতেও ইতস্তত বোধ করেন-পাছে উঠতে না পেরে পরে যান, সেই ভয়ে অনেকে উঠতেও চান না।
ট্রাফিক পুলিশের দৌলতে বাসের গতি কিছুটা বেড়েছে বইকি, তবে মানুষের সাহস কমছে কই!
যখন লোক বাসে বসে থাকেন, বাস ষ্টেশনে একটু দাড়িয়ে থাকলেই চেঁচামেচি করতে শুরু করেন, আবার সেই লোকটিই যখন বাসে ওঠার জন্যে দাড়িয়ে থাকেন, হয়তো বা বাসে উঠে বলতেও পারেন-এত তারা কিসের বাপু? একটুখানি দাড়িয়ে লোক তুলতে পারনা? যদি পরে যেতাম??!!!"
বাসে বসে তারা চেল্লাবেন-"গরুর গাড়ি চালাচ্ছ নাকি? একটু জোরে চালাতে পারো না??" বাস থেকে নেমে তারা বলবেন - "এত জোরে গাড়ি চালাবে সব, এক্সিডেন্ট হবে না তো কি হবে""
এখন আপনারাই বলুন-দোষটা কার???
Facebook এর দেওয়াল লিখনে আমরা আমাদের সুখ দুঃখ বড্ড বেশি করে ভাগ করে নিতে শিখেছি। শিখেছি, নকল দুঃখ তৈরি করে তাতে comments কোড়াতেও! কিন্তু জীবন কি শুধু কথার মাধ্যমেই বড় হয়? বোধহয় হয়না!! হলে আমাদের বয়েস আজ অনেক বেশি হত experiences এর দিক দিয়ে। জীবন আর যাই হোক, শুধু কথার বেড়াজাল তো নয়ই।
আমার ডায়রি লেখা কোনদিন হয়নি। যখন শুরু করব ভেবেছি অবসর শব্দটার অভাব আরও বেশি করে জাঁকিয়ে বসেছে আমায়। অবশেষে যদিও বা লিখে ফেললাম, তবু তাকে গতিময় আজও করা হয়ে ওঠেনি। তবু চেষ্টা রইল, এই ব্লগ আপডেট এর সূত্র ধরে যদি আমি আমার চিন্তাদের পূর্ণতা দিতে পারি, আমার রোজনামচার সোপান  যদি অতিক্রম করতে পারি!!