I want to live until I die.
A life with real hope, not just the act of living.
This urban winds arranges my living,
But don’t let me to live.
I make my dreams to live,
But my dreams make me to leave.
Something could be better for me.
Now just something left, others have gone.
Sometimes I think of that something’s,
When my dreams don’t let me to dreams.
But these urban winds made me trained,
To live happily without happiness.
Now I can just hope of a little hope,
Which may help to save myself.
From this urban winds, the winds of modernity.
I need something quite new,
Inspiring the winds modernity, not the urban.

ছোট্ট পেনসিল আর খাতার ভিড়ে, জুতোর ফিতেয় আটকা পড়া পথ,
ছোট্টবেলার ছোট্ট ছোট্ট স্বপ্ন আর পাখনা মেলা ছোট্ট হাসির রথ,
সুখের কান্না, দুখের হাসি, কতো হাজার হাজার গল্প,
আজ মিথ্যে ভরা জীবনটাতে সত্যিগুলোই রয়ে গেছে অল্প।
কাজের ভীড়ে বয়সটা আজ ফ্লাওয়ার ভাসের শুকনো গোলাপ ফুল,
জানিনা সেই ছোট্ট জীবনে কোথায় ছিল ছোট্ট থাকার ভুল।
আজও খুঁজি রং-পেন্সিল, ড্রয়িং খাতার সুখ,
সাত রঙ হারিয়ে গেছে, পড়ে আছে আজ শুকনো কিছু মুখ।
মোবাইলের জটিল শব্দ মুখের মাঝে ফোটায় না আজ হাসি,
হঠাৎ পথে দেখা হলে কথার মাঝে শুধুই 'আজ আসি'।
মাঠের কোনে ছোট্ট দোলনা, হয়তো কিছু বলতে চায় আজ,
চেক, ড্রাফট আর ফাইল নিয়ে আমার এখন শিডিউল করা কাজ।
সেদিন ছিল আকাশ ভরা তারারা মিটমিটে,
আজ জানলা খুলে দেখি হঠাৎ আকাশটাই গেছে ঘেঁটে!
তাদের দেখি স্কুলের ভীড়ে, যারা আজ ছোট্ট হয়ে আছে,
বলি, 'তোরা ছোটই থাকিস' বড় হওয়াটাই বাজে।
আমিও হব তদের মতই হাওয়ায় ফুরফুরে,
আমার ছোট্টবেলা, তোর কাছে আমি আবার আসব ফিরে...

 

5-1-12
ভোরবেলা কম্পিউটার এর স্ক্রিন এ রুটিনে টা কখন যেন দিনের শেষে গোধূলির টানে ডেকে নিয়ে যায় সে কোন অন্ধকারে। দিনের শেষে একে একে সবকটা মুহূর্ত হারিয়ে যায় অতীতে। প্রশ্নগুলো যখন দিনের শেষে হাতছানি দিয়ে বলে, অতীতে ফিরে যেতে, আমি তখন আলোর মাঝে দিশেহারা, রোজকার ব্যস্ত রুটিনে আমি এখন উনিশ। আমার থেকে আজ বহু দূরে দারিয়ে আমার শহরটা। একলা পায়ে জল থই থই বৃষ্টি ভিজে আমি আজ আর ততটা সুখ খুঁজে পাইনা। এমনকি সেদিনের ভিজতে থাকা সুমন আর আজকের ভিজে যাওয়া সুমনও অনেকটাই আলাদা। প্রায় সেই অতীতের মতই। যদিও অতীত আমার সবচেয়ে কাছের যায়গা, রোজই আমার অবসর এ হাতড়ে বেড়াই অতীতকেই, পুরনো মানিব্যাগ এ ভিজে যাওয়া ছবি, পুরনো সিম এ সেভড মেসেজগুলো, খাতার শেষ পাতায় আমার লেখা তার নাম, আর প্রথম পাতায় তার লেখা আমার নাম! তবু অতিতে থেকে যাওয়া আমার হল না। শুরু কিংবা শেষের মাঝে ঝলসানো আলোয় আমার স্বত্বা খুঁজে ফেরে তাকে, আমার ফেলে আসা বর্তমানকে, হারিয়ে যাওয়া ভবিষ্যৎ আর সেই কল্পনার অতীতকে...
28-2-12

বেশ কিছু দিন পর আবার আজ একমুঠো সময় পেলাম, লিখতে বসার জন্য। যদি আজ বিশেষ কিছুই লেখার নেই, সারাদিনের তোলপাড়, আখ্যান টা এই কদিন'এ একটু বেশীই প্রয়োগ হয়েছে বইকি! তাই ভাবনার চিন্তা করার সুযোগ পাইনি।আমার শুধু চিন্তা হচ্ছে পরীক্ষা নিয়ে। জানিনা পাস করব কিনা, জীবনে এরকম দুর্বিষহ অবস্থা আগে কখন হয়নি, শুধু আশা আর গরব নিয়ে যে জীবন চলে না, টা আজ তের পাচ্ছি! তবে শোধরাতে আর সময় পাচ্ছি কই!

আজ বিজ্ঞান দিবস। জানিনা, কটুকু আমি দিয়েছি বিজ্ঞানের জন্যে কিন্তু আমার জীবনে বিজ্ঞানের প্রভাব পুরোটাই, নিজেকে আজ বিজ্ঞানসম্মত বলতেও কোনো দ্বিধা বোধ করব না! শুধু ভাবি, বিজ্ঞানের সব সূত্র যদি মেনে চলতাম, আজ যা যা পেয়েছি, তাদের নিয়ে এত আফসোস হত না!


22-2-12
আজকের গল্পটা আবার নতুন করে শুরু করা যাক। এনিয়ে বহু গল্প আমার শুরু হয়েছে, কিন্তু শেষ করার ইচ্ছে বা সময় কোনটাই থাকেনি শেষ পর্যন্ত। হয়তো এ ডায়রির অবস্থাও তাই হবে, কে বলতে পারে? অনেকদিনের জমে থাকা আবেগগুলোই বোধহয় নতুন গল্প তৈরি করে, না হলে হঠাৎ জীবনে শব্দগুলো এত গুরুত্বপূর্ণ কেন হয়ে উঠত? স্কুলের শেষ দিনটা কাটাবার প্লান ছিল অন্যরকম, কেটেছিল অন্যরকম। হয়তো শেষ দিনের শেষ প্ল্যানটার কথা সেদিন কারোরই মনে ছিলনা।

মনে থাকার কথাও নয়, পরের দিনের Schedule টা তৈরি যে!! আজ বহু কটা দিন কাটিয়ে এসেছি college Life এ। এখন আর স্কুলের কথা মনে পড়ার কথাও নয়। শুধু যা পাস দিয়ে যাওয়া আর আসার সময় একনজরে স্বাধীনতাকে খুঁজে পাওয়া। তবু সেদিনগুলো আর ফিরে পাব কি? ঘুম ভাঙ্গা অচেনা ভোরে যখন আমার স্বপ্নেরা আমায় জাগিয়ে তলে, শহুরে হাওয়ার ঢেউ আসে আমার চারপাশে  কিম্বা আমার শহর এর আলো ঝলসানো রাতগুলো যখন আমার দিন গুনে যাওয়া জীবনে বয়ে যায়, বড্ড বেশি অবাক লাগে নিজের কথা ভাবলে। কোনো একদিনের সেই ফেলে আসা ছোট্ট ছেলেটা আর আজকের আমির মধ্যে হঠাৎ যেন একটা বড়ো তফাৎ  সৃষ্টি হয়ে গাছে। হঠাৎ যেন চারদিকের সবকিছুই আলাদা।

আমার চেনা শহরটা একই রয়ে গেছে, শুধু দিনগুলো বদলে গেছে। ভোরের alarm tone এ পাখিদের আনাগোনা, কিম্বা রাতে মোবাইলের ঘুমপাড়ানি গান, আমার জীবনে নতুন আলো এনেছে-চোখ ধাঁধানো দিন গুনে যাওয়ার আলো! সেই আলো তাই আজ শহরটাকেও বড়ো অচেনা লাগে। সেই ছেলেটা যে শহরটাকে চিনত না, চিনত না অলিগলিগুলোকেও, তবু এ শহরের আড্ডা-তর্ক, গল্পে-আনন্দে, দুঃখ-সুখে সবই ছিল তার অস্থিমজ্জায়, আজ সে অন্য শহর চিনেছে নিজের শহর ভুলে। আমার শহরের আলো ঝলসানো রাতগুলো আমার কাছে একবারে আনকোরা। যে শহরে রাত্রি আমার ঘুম হয়ে আসত, আজ সেই রাতগুলোতে জীবনের নেশায় মাতাল হয়ে যাওয়া উন্মাদদের ভিড়। জীবনের লয়গুলো আজ ছন্নছাড়া। তাই হয়ত কবিতার পাতাতেও আর মন বসতে চায়না।
18-2-12
আজও ভোরের রোদ্দুর আমার চোখের পাতায় তার স্নিগ্ধতা রাখে গেছে। আজ আমি স্বাধীনের দলে নাম লিখিয়েছি। সমস্ত ব্যর্থতা হয়ত ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। তবে সমস্ত স্বপ্ন আবার নতুন করে দেখা তো সম্ভব! আমি চাইনা আর ফিরে যেতে সেই দিনগুলোতে, যার ইতিহাস কোনদিন আমার সঙ্গী হয়নি;একলা দোসর, বরং হাজার সভ্য-মাঝে আমায় একলা করে দিয়েছে বারংবার। তাই আমি আজ পলাতকের দলে। জীবনটাকে আজ শূন্য থেকে বড় করতে ইচ্ছে করছে। আমায় কুড়ে খাওয়া নিঠুর স্বপ্ন-গুলো আপাতত চোরা-সিন্দুকেই বন্ধ থাক।
মিঠে রোদ্দুর ফুতে ওঠা স্নিগ্ধতা গায়ে মেখে আজ আমার দিনের শুরু। শেষটা যে ভাল হবেই তার কোনও আশা না করাই ভাল। তবু যখন বৃষ্টি তার ধুলোর উড়ান দিয়ে জানিয়ে গেছে, আজকের সকাল একটু অন্য রকম হবে বৈকি! সারাদিনের ব্যস্ততা আমার প্রতিদিন গুলো কেমন যেন কেড়ে নিয়েছিল, আমার কাছ থেকে। প্রতিদিন শুধুই ঘুমতাম, তবু ঘুম আর হত কই! জানিনা কেন আজ এই অন্য রকম, তবু এ সুখ অসহ্য হবে না!
16-2-12
আজ অনেকদিন পর আমি আবার শৈশবের আঙ্গিনায় ফিরে যাওয়ার সুখ খুঁজে পেয়েছি, আজ এই ভোরের বৃষ্টি মাখা গন্ধে সত্যিই সেই ছোটবেলার কথাই মনে পড়ছে। তবে কোন দুঃখ নয়, কোন যন্ত্রণা নয়, সেই সাধারণ, সহজ সরল শৈশব যেন আবার ফিরে পেয়েছি আমি। আজ এ এক অন্য আমি, আমারই মধ্যে করছে পাগলামি। আজকের আকাশ বর্ষাকালের আকাশের চেয়ে অনেকটা আলাদা। ঠিক যেমন কৈশোরের যন্ত্রণার সাথে শৈশবের আঙ্গিনার সুখের সম্পর্ক! আজ বড্ড বেশী ভিজতে ইচ্ছে করছে, ইচ্ছে করছে সমস্ত দুঃখ, ক্ষোভ, হতাশা ধুয়ে ফেলে এক নতুন জীবন খুঁজে পেতে, ইচ্ছে করছিল সেই সমস্ত সুখ ক্যামেরা-বন্দি করতে, যা কাল বৃষ্টি আমায় দিয়েছে, কিন্তু ভিজে রাস্তার জল থই থই আর আমার হঠাৎ খুঁজে পাওয়া অক্লান্ত স্বাধীনতাকে স্মৃতিতে বন্দি করা সম্ভব নয়। সে যে স্বাধীন। তার স্বাধীনতাই যে আমার সুখের খোরাক।
15-2-12
হতাশহীন এই শূন্য বুকে আজ কোন ক্ষোভ বা আক্ষেপের সুর নেই বটে, তবু ছোট্ট বেলাটাকে আজ অন্যভাবে মিস করছি। এত জীবনের জটিলতা বোধ হয় তখন ছিলনা, না ছিল কামনার উদ্বেগ, না সম্মান রক্ষার প্রেম! ভালবাসতাম, তো শুধু ভালোইবাসতাম! কোনো কিছু পাল্টা প্রশ্ন না করেই। আমি আজ সেই ভালবাসাই দেখতে চাই, যেখানে মন প্রাধান্য পাবে, শরীর নয়। যদিও জানি, এ যুক্তিহীন কথাবার্তা শুধু আমার মত পাগলই বলতে পারে। আজ শুধু একটা কথাই বলবার রয়েছে। আমি মনকে ভালবাসি। এই ১৯ বছর ধরে সে আমায় সঙ্গ দিয়েছে, এমনকি ঘুমে অচেতন স্বপ্নে-দুস্বপ্নেও সে তার স্মৃতির ভাণ্ডার উজাড় করে দিয়েছে আমাকে। মন, সত্যিই সে বড় অবুঝ, বড় হলেও সে যে বড় হয়েছে, তা কিছুতেই মানতে চাইবে না, কিন্তু গোধূলি যে এলো বলে...